জয়পুরহাট চিনিকলে সিডিএদের দক্ষতা বৃদ্ধি প্রশিক্ষণ আধুনিক আখচাষ প্রযুক্তিতে উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্য | Daily Bogra

 


মোঃ জাহিদুল ইসলাম, জয়পুরহাট জেলাঃ

জয়পুরহাট চিনিকলে সিডিএ সম্প্রসারণ কর্মীদের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আখচাষের আধুনিক কলাকৌশল, উন্নতমানের আখ উৎপাদন এবং আখচাষ সম্প্রসারণ প্রযুক্তি শীর্ষক দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। কৃষি বিভাগের আয়োজনে ১১ এপ্রিল ২০২৬ থেকে ১২ এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত জচিক ট্রেনিং কমপ্লেক্সে এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।

প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী সিডিএদের আখচাষের আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার, উচ্চ ফলনশীল জাত নির্বাচন, সুষম সার ব্যবস্থাপনা, উন্নত সেচ প্রযুক্তি,  এবং ফলন বৃদ্ধির কার্যকর কৌশল বিষয়ে  প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। মাঠ পর্যায়ে দ্রুত আধুনিক প্রযুক্তি ছড়িয়ে দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন, যাতে কৃষকরা বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে আখচাষ করে অধিক ফলন ও লাভ নিশ্চিত করতে পারেন।

২০২৫-২৬ মাড়াই মৌসুমে আখরোপণ, কৃষিঋণ আদায় এবং কারখানায় আখ সরবরাহের লক্ষ্যমাত্রা শতভাগ অর্জন করায় (ডিএম সম্প্রসারণ) ও তাঁর নেতৃত্বাধীন সংশ্লিষ্ট সিডিএ/সিআইসিদের কৃষি বিভাগ, জয়পুরহাট চিনিকল (জচিক) এর পক্ষ থেকে পুরস্কৃত করা হয়। একই অনুষ্ঠানে দুই দিনব্যাপী সিডিএ প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন এবং পুরস্কার বিতরণ করেন জয়পুরহাট সুগার মিলস্ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কৃষিবিদ মোহাম্মদ খবির উদ্দিন মোল্যা।

প্রশিক্ষণে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহাব্যবস্থাপক (কৃষি) ফজলে রাব্বী। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মোঃ আলী আকতার সভাপতি জচিক শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়ন ও কার্যকরী সভাপতি বাংলাদেশ চিনি শিল্প করপোরেশন ফেডারেশন। মোঃ জায়েদ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক জচিক শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়ন ও সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ চিনি শিল্প করপোরেশন ফেডারেশন।আরও উপস্থিত ছিলেন জিএম (প্রশাসন) মোঃ হাবিবুর রহমান, জিএম (অর্থ) মোঃ ইশতিয়াক হোসেন রাজীব এবং ডিজিএম মোঃ আব্দুর রউফসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

বক্তারা বলেন, আখ বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থকরী ফসল। আধুনিক প্রযুক্তি ও বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনা অনুসরণ করলে আখের উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে, উৎপাদন ব্যয় কমবে এবং কৃষকরা আর্থিকভাবে লাভবান হবেন। এতে দেশের চিনি শিল্প আরও সমৃদ্ধ হবে এবং জাতীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক অবদান রাখবে।

প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী সিডিএ রা  জানান, তারা মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের মাঝে অর্জিত জ্ঞান ছড়িয়ে দিয়ে আধুনিক আখচাষ সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন। এর ফলে আখের উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং কৃষকের আয় বৃদ্ধির পাশাপাশি দেশের চিনি শিল্পের উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।

Post a Comment

0 Comments