উজ্জ্বল কুমার সরকার নওগাঁঃ
অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৪৮,নওগাঁ-৩ (মহাদেবপুর-বদলগাছী) সংসদীয় আসনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ৬ জন এবং ২ জন স্বতন্ত্রসহ মোট ৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে ৬ জন প্রার্থী জামানত রক্ষা করার মতো প্রয়োজনীয় ভোট না পাওয়ায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হলেন।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ভোটগ্রহণ শেষে গভীর রাতে ফলাফল ঘোষণা করেন নওগাঁ জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম। রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে ঘোষিত ফলাফল বিশ্লেষণে এ তথ্য জানা গেছে।
নির্বাচন কমিশনের বিধি অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী তার নির্বাচনী এলাকায় প্রদত্ত মোট ভোটের কমপক্ষে এক অষ্টমাংশ (১২ দশমিক ৫ শতাংশ) ভোট না পেলে তার জমাকৃত জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। এবারের নির্বাচনে প্রতিটি প্রার্থীকে ৫০ হাজার টাকা করে জামানত জমা দিতে হয়েছে।
যাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে তারা হলেন সাবেক ডেপুটি স্পিকারের ছেলে স্বতন্ত্র প্রার্থী পারভেজ আরেফিন সিদ্দিকি জনি (কলস) — ১৭,১২৯ ভোট, বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট (বিএনএফ) প্রার্থী আব্দুল্লাহ,আল-মামুন সৈকত (টেলিভিশন) — ১৯৫ ভোট,বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) প্রার্থী কালিপদ সরকার (মই) — ১,২৩৩ ভোট
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ প্রার্থী নাসির বিন আছগর (হাতপাখা) — ৩,৬৪৩ ভোট,জাতীয় পার্টি প্রার্থী মাসুদ রানা (লাঙ্গল) — ৪,৮৬৯ ভোট,স্বতন্ত্র প্রার্থী সাদ্দাম হোসেন (জাহাজ) — ৮২৩ টি ভোট পান।
নওগাঁ-৩ আসনে মোট ১৪২টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ছিল ৪ লাখ ৪০ হাজার ৭৮৫ টি। প্রদত্ত মোট ভোটের সংখ্যা ৩ লাখ ২১ হাজার ৯৬৭টি। হিসাব অনুযায়ী, জামানত রক্ষায় প্রয়োজনীয় ভোটের সংখ্যা ছিল প্রায় ৪০ হাজার ২৪৬টি। ফলে উল্লিখিত ৬ জন প্রার্থী নির্ধারিত ভোটের সীমা অতিক্রম করতে পারেননি।
জামানত বাজেয়াপ্তের বিষয়ে নওগাঁ জেলা নির্বাচন অফিসার মো. আব্দুল মোত্তালিব জানান, “নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি প্রার্থীকে ৫০ হাজার টাকা করে জামানত জমা দিতে হয়েছে। প্রদত্ত ভোটের কমপক্ষে ১২ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট না পেলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হবে।
মোঃ সানজাদ রয়েল সাগর
নওগাঁ#

Post a Comment