কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি:
কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে আচমিতা ইউনিয়নে সেবা নিতে এসে ৫০০ টাকা দেওয়ার অভিযোগে সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়। আর এ সংবাদে আচমিতা ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের সদস্য শামসুজ্জামান সোয়েবের নাম জড়ানো হয়।
সংবাদের সত্যতা যাছাইয়ে দেখা যায় ভিন্ন চিত্র। ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোক্তা, সচিব, ইউপিসদস্য ও ভুক্তভোগী নারীর ছেলে সংবাদকর্মীদের সামনে তুলে ধরেন প্রকৃত চিত্র। ৫ নং ওয়ার্ডের স্বর্ণা রানী সূত্রধরের ছেলে মূলত মৃত্যুসনদ নিতে আসেন পরিষদে। মৃত্যু সনদ নিতে গেলে প্রয়োজন হয় জন্ম সনদ, ওয়ারিশান সনদ ও পরিষদের নির্ধারিত ট্যাক্স।
দায়িত্বশীলরা বলেন জন্মসনদ আবেদনসহ ১০০ টাকা, মৃত্যু সনদ আবেদনসহ ১০০ টাকা, ওয়ারিশান সনদ আবেদনসহ ১০০ টাকা ও দুই বছরের ট্যাক্স ২০০ টাকাসহ মোট ৫০০ টাকা নেওয়া হয়। অতিরিক্ত কোনো টাকা নেওয়া হয়নি বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের।
একজন সংবাদ কর্মীর ভুল তথ্য দিয়ে মানহানীকর সংবাদ প্রকাশেরও প্রতিবাদ জানান ইউপিসদস্যসহ সংশ্লিষ্টরা। তথ্য যাছাই করে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশেরও আহ্বান জানান সংবাদকর্মীদের প্রতি।

Post a Comment